মিঠাপুকুরে প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্টানের অনিয়ম দুর্নীতি ধামাচাপা দিলেন বিদায়ী ও নবাগত শিক্ষা অফিসার
আব্দুল হালিম, বিশেষ প্রতিবেদক :
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা ১৭ ইউনিয়নে শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় তিন মাস ধরে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে স্কুল প্রধানের বিভিন্ন দুর্নীতি অনিয়ম স্কুল ফাকি একাধিকবার জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় সরেজমিন প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাকিরুল হাসান এ ডিপিইও হিসেবে গোপালগন্জ জেলায় যোগদান করেন। তিনি প্রধান শিক্ষকদের জবাব ও পত্রিকার কাটিং ডিপিইও অফিসে না পাটিয়ে উৎকচের বিনিময় ধামাচাপা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন এলাকার অভিভাবকগণ।
এ ছাড়াও সদ্য প্রকাশিত সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে স্কুল বন্ধ রাখায় ও পরীক্ষা না নেয়ায় নিউজ প্রকাশ হয়, সেটিও ধামাচাপা দিয়ে যান বর্তমান মিঠাপুকুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র রায়। এছাড়াও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অফিস কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুদক মামলা চলমান,কয়েকজন কর্মচারী কয়েক বছর যাবৎ একই কর্মস্থলে বহাল রয়েছে।
এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে দাবি জানিয়েছেন স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক বৃন্দ।এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ রায় বলেন আমি নতুন সদ্য যোগদান করেছি কয়েকদিন আগে উপজেলার চেংমারী ইউনিয়নের লোহা কুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,সমাপনী পরিক্ষা গ্রহনের জন্য সরকার নির্দেশ দেন কিন্তু সেই সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে তালা ঝুলিয়ে স্কুল বন্ধ রেখে প্রধান শিক্ষক সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণ করেনি ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ হয় আমরা জানতে পারি,উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার শাহানা আক্তার কে তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেই পরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান কে ডেকে বিকেল বেলা স্কুল খুলে গুটি কয়েক জন ছাত্র ছাত্রী দের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করি।যেখানে একই প্রশ্ন দিয়ে উপজেলার সকল স্কুলে পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুপুর ১টায় আর এ-ই নিয়ম অমান্য করে যখন সকল স্কুলের ছাত্র ছাত্রী পরিক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরে যায় তখন এ-ই স্কুলে পরিক্ষা শুরু করেন।৩-১-২০২৬