Alokito Songbad ১৭ সেপ্টেম্বার ২০২৬ ১২:১৭ এ.এম
সৌদি আরবের অভ্যন্তরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা ও বিমানঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়। ইয়েমেনি এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানিয়েছে যে, তাদের সামরিক বাহিনী সুপরিকল্পিতভাবে সৌদির কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুগুলোতে এই আক্রমণ পরিচালনা করেছে। এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নতুন করে এক বড় শঙ্কার মুখে পড়েছে।
সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, হুথিদের মূল টার্গেট ছিল সৌদি আরবের লোহিত সাগর তীরের প্রধান বন্দরনগরী ইয়ানবুতে অবস্থিত একটি তেল স্থাপনা। এর পাশাপাশি দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খামিস মুশাইত এলাকায় অবস্থিত একটি সামরিক বিমানঘাঁটিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। বিদ্রোহীদের দাবি, অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিচালিত এই অপারেশনগুলোর মাধ্যমে তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোতে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে। তবে এই হামলার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের সুনির্দিষ্ট বিবরণ জানা যায়নি।
ইয়েমেনে দীর্ঘ দিন ধরে চলা গৃহযুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে এবং এর জবাবে প্রায়শই সৌদি ভূখণ্ডে এ ধরনের হামলা চালিয়ে থাকে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। সাম্প্রতিক এই হামলার ঘটনাটি দুই পক্ষের মধ্যকার চলমান দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতকে আরও ঘনীভূত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে কৌশলগত তেল স্থাপনাগুলোতে এ ধরনের আক্রমণ বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এখন পর্যন্ত সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হুথিদের এই হামলার দাবির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বা বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এর আগেও সৌদির বিভিন্ন তেল ক্ষেত্র ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হুথিরা বেশ কয়েকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংঘাত নিরসনে এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ বন্ধে বারবার আহ্বান জানিয়ে আসলেও পরিস্থিতির বিশেষ কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা ১ অক্টোবর
ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ভিক্টোরিয়া কলেজের অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীর
নীলফামারীতে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ধারণক্ষমতার ৪ গুণ রোগী
সৌদির তেল স্থাপনা ও বিমানঘাঁটিতে হামলার দাবি হুথিদের
ছবিতে দেখা গেলো ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোয় ব্যাপক ক্ষতির চিত্র
বাবা হারালেন কণ্ঠশিল্পী সালমা
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে কার্নির নতুন প্রেমের পেছনে বড় ভূমিকা ট্রাম্পের
একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
পাকিস্তান-চীনের নতুন সীমান্ত কমিশন প্রত্যাখ্যান ভারতের
দুই কোটি টাকার গাড়ি না কিনে কৃষকদের টাকা দিলেন অভিনেতা, কেন?
গেজেট প্রকাশ, র্যাব এখন এসআরবি
‘লাইনটা সত্যিই চালু আছে কি না দেখলাম’, সারের কন্ট্রোলরুমে অদ্ভুত সব কল
ডেঙ্গুতে হার মানলেন ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নুর জাহান
ঝরনায় শিশুকে নিয়ে হাঁটছিলেন বাবা, হঠাৎ কাঁধে পড়লো সাপ
একই ঘরে দুই তরুণী, ‘বাসর’ সাজিয়ে রাতযাপন
হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ
সেতু কর্তৃপক্ষের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এসএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ
স্বামীকে হারানো অন্তঃসত্ত্বা দুই স্ত্রীর ভবিষ্যৎ কী, ৪ সন্তানের কী হবে
একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ
'আসসালামু আলাইকুম'-'ইনশাআল্লাহ' বলা ঘিরে বিতর্কের জেরে পশ্চিমবঙ্গে নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলির অভিযোগ
একাদশে ভর্তির ফল রাত ৮টায়, দেখা যাবে যেভাবে
প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
অবুঝ রায়হানের পা কেটে বানানো হয় ‘ভিক্ষার মেশিন’
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ওসির পর সরানো হলো ডিসিকেও
আবুল বারকাতের ৪৯ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, গাড়ি-ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ
একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন
দুবাইয়ের ভাইরাল ‘কিশতা’ ডেজার্ট বানাবেন যেভাবে
বন্ধুকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে ৬ টুকরো, গুম করতে নদীতে ফেলা হয় খণ্ডিত মরদেহ
মমেকে অগ্নিকাণ্ড: দুই মৃত্যু স্বীকার করল কর্তৃপক্ষ
জামিন না পেয়ে এজলাসে গালিগালাজ, পুলিশের ওপর হামলা